Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
তিন মাসের গর্ভবতীকে পুড়িয়ে মারল স্বামী ও তার পরিবার
By Our Correspondent, 16/03/2019, Shantirbazar

বিবাহের এক বছর পূর্ণ হয়নি।তারই মাঝে ঘটে গেল বিড়ম্বনা। নিয়তির কি নিঠুর পরিহাস। অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৯ দিন হাসপাতালে লড়াই করে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলো মালতী। হাসপাতালে মৃত্যুর আগে জবান বন্ধী স্বামী,শ্বশুর,ঝা মিলে গায়ে কোরসিন ডেলেছিল।বেদনাদায়ক ঘটনাটি ঘটে ১ মার্চ। কদমতলার অঞ্জন চন্দ্র দাসের ছেলে দিপন দাসের সাথে বিয়ে হয়েছিল দশদা গৌরী শংকর পুরের অরুণ চন্দ্র দাসের মেয়ে মালতী রাণি দাসের।বিয়ের পর থেকেই মালতীকে সন্দেহ করতো দীপন। তাদের বিয়ের এক বছর ও হয়নি এই ফাগুন মাসের ২৭ তারিখ তাদের এক বছর পূর্ণ হবে। কিন্তু তার আগে তিন মাসের অন্তসত্তা অবস্থায় গত ১ মার্চ  সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় গায়ে কোরসিন ডেলে মালতীকে হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়।মালতীর শরীর ৭০% পুডে যায়। প্রথমে কদমতলা তার পর উওর জেলাহাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে মালতীর বাপের বাড়ির লোকজন সহ উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলচর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে মালতীর চিকিৎসা চলে কিন্তু স্বামি যখন হাসপাতাল থেকে একটু দূরে সরে তখন মালতী তার মা ভাই কে পুরো ঘটনা খুলে বলে৷ মালতীর ভাই অজুন চন্দ্র দাস তার বক্তব্য মোবাইলে ভিডিও আকারে ধারণ করে।শিলচর মেডিকেল কলেজে ১১.৪৫ মিনিটে মালতীর মৃত্যু হয়। টানা নয় দিন এই গৃহবধূ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে।মেয়ের পরিবার শিলচর মেডিকেল থেকে এসে প্রথমেই কদমতলা থানায় মামলা করে। কদমতলা থানায় মৃতা মালতীর ভাই অজুন চন্দ্র দাস, স্বামি দিপন দাস,শ্বশুর অঞ্জন চন্দ্র দাস ঝা - সাবিত্রি দাসের নামে মামলা করে।কদমতলা থানা মামলা  গ্রহন জার নম্বার ১৪ আইপিসি ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা রুজু করেছে।মালতীর লাশ শিলচর মেডিকেল থেকে নিয়ে আসছিলো স্বামী দিপন সহ শ্বশুর অঞ্জন। কদমতলা থানা মামলা হয়েছে বুঝতে দেওয়া হয়নি তাদের।রাত ৯.৩০ মিনিট নাগাদ এম্বুল্যান্স এ করে মালতীর মৃতদেহ ত্রিপুরার ঝেরঝেরী গেইটে আসতেই পুলিশ মুল অভিজুক্ত দীপন ও তার পিতাকে গ্রেপ্তার করে।কদমতলা থানার সামনে মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পডেন মা।কদমতলা থানার ওসি সহ বাকিরা তাদের শান্তনা দিয়ে সৎ   কাজের জন্য মালতীর দেহ বাডি পাঠান। যে বাডি থেকে বধু সেজে একদিন দীপন ঘরে এসেছিল সেই বাপের বাডিতে লাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে।আরো বেদনাদায়ক পেটের সন্তান টিও পৃথিবীর আলো দেখতে পেলোনা।বতমানে বাপ বেটা পুলিশি গারদে।সোমবার তাদের আদালতে তুলা হবে। ঘটনা চাউর হওয়ার পর দীপনের পরিবারের প্রতি ধিক্কার জানাচ্ছে এলাকার লোকজন। বেদনাদায়ক এই ঘটনার ইতি হলেও অপরাধীরা জাতে শাস্তি পায় সেই আশায় দিন গুণা শুরু কন্যাহারা পরিবাবের।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.