Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভারত একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য-স্থল : নির্মলা সীতারমন
Burue Report, 16/10/2019, New Delhi

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ইস্পাত মন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পেট্রোপণ্যকে জিএসটি-র আওতায় আনতে এ বিষয়ে জিএসটি পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করতে অর্থমন্ত্রীকে আবেদন জানান। একই সঙ্গে, জিএসটি-র আওতায় প্রাকৃতিক গ্যাস এবং এটিএফ-কেও আনা হয়, সে ব্যাপারেও আবেদন রেখেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে। শ্রী প্রধানের বক্তব্য অনুযায়ী, পেট্রোলিয়াম ক্ষেত্রের জটিলতা এবং এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারগুলির রাজস্ব নির্ভরতাকে মাথায় রেখে পেট্রোপণ্যকে এতদিন জিএসটি-র আওতা থেকে মুক্ত রাখা হয়েছিল, যদিও এই ব্যবস্থার আওতায় এ ধরনের পণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ক্রমশই বাড়ছিল। তিনি এও বলেন, ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা কখনই একক শক্তি মেটাতে পারবে না। বাণিজ্যিকভাবে টিকে থাকার মতো সবধরনের শক্তির সংমিশ্রণই এক্ষেত্রে একমাত্র উপায়।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভারত একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য-স্থল বলে উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন। কর্পোরেট করের হার কমিয়ে আনার সাম্প্রতিক ঘোষণার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ভারতে বিনিয়োগের পরিবেশ এখন যথেষ্ট সহায়ক। বর্তমানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেবল এক্ষেত্রে সম্মতি দানের ওপর। নতুন দিল্লির সেরাউইক আয়োজিত তৃতীয় ‘ইন্ডিয়া এনার্জি ফোরাম’ – এর উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোম্পানি আইন এবং আইবিসি কোড – এর সংশোধনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শক্তি ক্ষেত্রের ওপরেই কেন্দ্রীয় সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার সিওপি – ২১ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের যে অঙ্গীকার করেছে, সেকথা স্মরণ করে শ্রীমতী সীতারমন বলেন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎসতেই ইদানিং উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে বেশি করে। তিনি এও বলেন, শক্তির উৎসকে আরও প্রসারিত করতে ভারত উৎসুক। রান্নার গ্যাস ও বিদ্যুৎ দেশের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সরকার নিয়েছে, তার প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজের বৃহত্তর জনসংখ্যাকে উপকৃত করতে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

শ্রী প্রধান বলেন, তেল ও গ্যাস বাস্তু ব্যবস্থাকে ফের চাঙ্গা করতে হাইড্রো কার্বন নীতি-কাঠামোর পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন এবং এভাবে একটি সহায়ক বাণিজ্যিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারলে শক্তি ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সৌদি অ্যারামকো, অ্যাডনক, বিপি, শেল প্রভৃতি তেল সংস্থার মতো বিশ্বের তাবর সংস্থার ভারতে প্রবেশ কেবল বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাসই বাড়াবে না, ভারতের বিকাশের ধারাটিকেও অব্যাহত রাখবে।

ভারতকে ‘লো কার্বন’ অর্থনীতিতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এই সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলি স্মরণ করে শ্রী প্রধান বলেন, এই দেশের মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণ বিশ্বের গড়ের চেয়ে অনেকটাই কম। শক্তি ক্ষেত্রে সুস্থিতি আনতে জৈব জ্বালানির ওপর ভারত যে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে, তাও তিনি কথা প্রসঙ্গে জানান। বিভিন্ন ধরনের কৃষি অবশিষ্টাংস এবং একই সঙ্গে পৌর কঠিন বর্জ্য থেকে জৈব জ্বালানি উৎপাদনের সুসংহত ব্যবস্থাকে জাতীয় জৈব জ্বালানি নীতির আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টাও চলছে বলে মন্ত্রী অনুষ্ঠানে জানান।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.