Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
বকেয়া পরিশোধ না করায় জিবি হাসপাতালের গ্যাস লাইন ছিন্ন করলো টিএনজিসি
By Our Correspondent, 08/01/2020, Agartala
 

বকেয়া বিল পরিষদ করে না দেওয়ার জেরে পাইপলাইন গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হলো রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতাল জিপিতে। বৃহস্পতিবার পিএনজি সি এল এর পক্ষ থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন কেন্দ্র করে এদিন দিনভর রোগীসহ আত্মীয়-পরিজনের মধ্যে 1 চরম উৎকণ্ঠার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন হাসপাতাল সুপার ডাক্তার রঞ্জিত দাস ও আর এম ও বিধান গোস্বামী সহ অন্যান্য আধিকারিক গন। একপ্রকার অনুনয়-বিনয় এরপর এবং এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত বকেয়া বিল পরিশোধ করে দেবার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর পুনরায় চালু করা হয় বলে খবর।

এ ব্যাপারে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে জিবিপি হাসপাতালে প্রতিটি ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের তিন বেলার খাবার তৈরি করা হচ্ছে এই পাইপলাইন গ্যাসের মাধ্যমেই। টি এন জি সি এর এর বিধান অনুযায়ী প্রতি মাসে বিল পরিশোধের কথা রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ বিগত ছয় মাস ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটিও বিল পরিশোধ করেনি টি এন জি সি এল কে। বিল পরিশোধের জন্য বার কয়েক বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত এমনকি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল। অভিযোগ সেই বিল পরিশোধের জন্য আজকাল সময় চেনেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ছয় মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও বিল পরিশোধ করা হয়নি। জানা গেছে গত মাসে সেই বিল পরিশোধের জন্য শেষবার পুনরায় একবার লিখিতভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে টি এন বিসিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল বিগত ছয় মাসের বিল যাতে একসাথে পরিশোধ করে দেন কর্তৃপক্ষ। অন্যথায় পাইপ লাইন গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। যথারীতি বৃহস্পতিবার টি এন জি সি এল এর পক্ষ থেকে সকাল নাগাদ পাইপলাইন গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। তড়িঘড়ি ছুটে আসেন কর্তৃপক্ষ রা। এব্যাপারে টি এন জি সি এল এর এক আধিকারিক এ ব্যাপারে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরো এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিগত ছয় মাসে বকেয়া বিল পাঁচ লক্ষ টাকা পরিশোধ করতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। এ ব্যাপারে হাসপাতাল সুপার ডাক্তার রঞ্জিত দাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে গোটা বিষয়ে স্বীকার করলেও তিনি এমজিসিএল এর উপর বেশকিছু দায় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ প্রতিমাসে বিল পরিশোধ করে যাচ্ছে। এরমধ্যে কিছুটা বিল রয়ে গেছে। সেই বিলের পাহাড় 5 লক্ষ নয়
সুপার এর মতে বিলের সংখ্যা প্রায় 3 লক্ষের উপর। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনার পর ঐ তামি দিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিকে আরএমও বিধান ঘোষ স্বামীর সাথে কথা বললেও তিনি একই কথা জানান। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো রাজ্যের এই প্রধান রেফারেল হাসপাতাল যেখানে রোগীদের খাবারের জন্য পাইপলাইন গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না দেওয়ার ফলে কেটে দেওয়া উপক্রম হয়েছে সেখানে পরিষেবা কতটুকু পাচ্ছে রোগীরা তা সহজেই অনুমেয়।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.