Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
করোনায় মারা গেলে ৪লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, বিনামূল্যে ১৫ দিনের চাল, ২ মাসের আগাম ভাতা
By Our Correspondent, 23/03/2020, Agartala

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের জন্য একগুচ্ছ প্রকল্প  ও কর্মসূচী ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার৷ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে সেই পরিবারকে দেওয়া হবে ৪ লক্ষ টাকা এক্সগ্রেসিয়া৷ রাজ্য সরকার যেহেতু আগামীকাল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত লক ডাউন ঘোষণা করেছে সেহেতু এই সময়ের মধ্যে যাতে গরিব পরিবারগুলিকে অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয় তারজন্য একাধিক সরকারি সহায়তার কথাও এদিন ঘোষণা করা হয়েছে৷ সোমবার মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের পৌরহিত্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ বৈঠকে রাজ্য মন্তি্রসভার প্রায় সমস্ত সদস্য এবং মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজি সমেত প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন৷ পরে মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারের মুখপাত্র রতন লাল নাথ জানান- করোনা ভাইরাস সংক্রমণে কিংবা কোন চিকিৎসা কাজের সাথে যুক্ত চিকিৎসক, চিকিৎসা কর্মীর এতে মৃত্যু হলে পরিবারকে চার লক্ষ টাকা  পরিবারকে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছ রাজ্যে প্রায় ৪ লক্ষের মত সামাজিক ভাতা প্রাপক রয়েছেন৷ তাদেরকে দুই মাসের অগ্রিম ভাতা (এপ্রিল এবং মে মাস) প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ এতে সরকারের প্রয়োজন হবে ৭২ কোটি টাকা৷ তিনি জানান- অন্তোদয়,অন্নপূর্ণা  যোজনায় এবং প্রয়োরিটি গ্রুপের যে সমস্ত পরিবার দুই টাকা কেজি দরে চাল পায় তাদেরকে বিনামূল্যে ১৫ দিনের অগ্রিম চাল প্রদান করা হবে। রাজ্যে এমন ৫ লক্ষ ৮৬ হাজার পরিবারে ২৫ লক্ষের মত সদস্য রয়েছেন৷ তাদেরকে সাড়ে ১৭ কিলোগ্রাম করে চাল পৌঁছে দেওয়া হবে৷
শ্রী নাথ জানান- রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে মিড ডে-মিলের আওতাভুক্ত রয়েছে ৪ লক্ষ ৩২ হাজার ২৭৯জন ছাত্রছাত্রী৷ তাদের জন্য ১৫ দিনের জন্য সাড়ে ১৮ কিলো চা, সাড়ে ৭শো ডাল, চারটি ডিম, ও ৭৫ গ্রাম করে সয়াবিন, সুজি, ছোলা, চিনি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে৷ এছাড়া ৬৩,১৫৫ জন ল্যাকটেটিভ মাদার ও গর্ভবতী মায়েদের জন্যও চাল ডিম সয়াবিন নির্দিষ্ট মাত্রায় বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, শহরাঞ্চলে ৬৫ হাজারের মত শ্রমিক যারা টুয়েপ এর কাজে যুক্ত রয়েছে তাদের কাজের জন্য ৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এমজিএনরেগার শ্রমিকদের এই পরিস্থিতিতে যাতে কাজের অসুবিধার সম্মুখীন না হয় তার জন্য ১০ দিনের কাজ প্রদান করা হয়েছে। এবং এই ক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য হাইজিন এবং সোস্যাল ডিসটেন্স মেনে চলার জন্য নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে৷ পিডিএফ এর মাধ্যমে ইমারজেন্সি কাজ যেন করতে পারে সেজন্য ৫ কোটি কাটা মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরে কর্মচারীদের জন্য রোস্টার ডিউটি চালু করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা রাজ্য সরকারের রয়েছে। এসডিআরএফ ফান্ড থেকে উজ্জলা যোজনার বেনিফিসিয়ারিদের ১ হাজার টাকা করে ব্যাঙ্ক একাউন্টে প্রদান করে দেওয়া হবে৷ পণ্যসামগ্রি  যাতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া যায় তারজন্য ডেডিকেটেড ডিপার্টমেন্ট চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি৷ এছাড়া করোনা আক্রান্ত রোগীদের সমস্ত খরচ সরকারি তরফে বহন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.