Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
প্রায় ২৮১ কোটি টাকার ভূয়ো ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট দাবি করার জন্য সংস্থা স্থাপন
Burue Report, 23/03/2020, New Delhi

সিজিএসটি’র মীরাট টিমের একটি তদন্তে প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে দিল্লি, মুরাদাবাদ ও মীরাট থেকে একটি জাল চেইন সংস্থা তথা কোম্পানী ১,৭০৮ কোটি টাকার জিএসটি চালান ইস্যু করেছে, যাতে প্রায় ২৮১ কোটি টাকার জালি আইটিসি ধরা পড়েছে। পুনরায় তদন্ত হলে জালিয়াতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

মীরাটের চিফ কমিশনারের উদ্যোগে ডেটা অ্যানালিটিক্স দল সন্দেহভাজন সংস্থাগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করছেন। পণ্য সরবরাহ না করেও জাল আটিসি একটি শৃঙ্খলের মাধ্যমে চালান ইস্যু করছিল অন্য একটি জালিয়াতি সংস্থার নামে প্রকৃত অর্থে যার কোনো অস্থিত্বই নেই৷ মূলত এই তথ্যের ভিত্তিতে সিজিএসটি মীরাট এই জাল চক্রটির হদিশ পেয়েছে৷ এই সংস্থা/সংস্থাগুলি নয়াদিল্লির রোহিনী সেক্টর -৬ এর একটি ছোট জনতা ফ্ল্যাট থেকে কাজ করছিল।

এই আন্তঃচক্রটির মোডাস অপারেন্ডি শুধুমাত্র বিভিন্ন জাল সংস্থা কিংবা কোম্পানী তৈরি করাই নয়, নিষ্কি্রয় সংস্থাগুলি ক্রয় করে পরিচালকদের নাম পরিবর্তন করে জাল জিএসটি বিলিং করাই তাদের উদ্দেশ্যে৷ আইটিসি পাস করার আগে চূড়ান্ত ব্যবসায় ক্রেতাদের কাছে ট্রেইলটি খুঁজে পেতে যাতে অসুবিধা হয় তারজন্য আইটিসি অস্তিত্বহীন সংস্থাগুলির মধ্যে একাধিকবার আবর্তিত হয়েছিল। এই জাল চালানের বিপরীতে জিএসটি প্রদানের ক্ষেত্রে আরও ব্যবহারের জন্য বিদ্যমান সংস্থাগুলি/সংস্থাগুলিতে আইটিসি পাস করা হয়েছিল। এই নকল সংস্থাগুলির শেষ প্রাপকরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করেছিলেন যা পরবর্তীকালে প্রত্যাহার করা হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট কমিশন কেটে নেওয়ার পরে নগদ হিসাবে সেই শেষ প্রাপকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের সময় দেখা গেল যে অভিযুক্তরা শ্রী প্রদীপ কুমার (কিংপিন) এবং তার সহযোগী মহঃ  শামশাদ ও  মোঃ সাজ্জাদ, যারা সাধারণ ইমেল আইডি এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সাধারণ ঠিকানায় একাধিক জিএসটি রেজিস্ট্রেশন নিয়েছিল।

মীরাট, মুরাদাবাদ ও দিল্লিতে তল্লাশি চলাকালীন সময়ে অন্তর্নিহিত রেকর্ড, নগদ ৯.৬ লক্ষ টাকা, বিভিন্ন সংস্থার ফ্লেক্স বোর্ড, বিভিন্ন ফার্ম / সংস্থার রাবার স্ট্যাম্পস, ডিজিটাল সিগনেচার ডঙ্গলস, ক্রেডিট / ডেবিট কার্ড সহ বিভিন্ন নাম, ছবি, ব্যাংক চেকবুক, প্যান কার্ড ইত্যাদি উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত প্রদীপ কুমার এবং তার সহযোগীরা মোঃ শামশাদ ও মোঃ সাজ্জাদ এর বিরুদ্ধে সিজিএসটি আইন ২০১৭ এর ১৩২ () (বি) (সি) ও ধারা ১৩২ () এর অধীনে জামিন ও অ-জামিনযোগ্য অপরাধের মধ্যে পড়ে এবং যা ধারা ১৩২ () এর অধীনে শাস্তিযোগ্য৷ উপরোক্ত ৩ আসামীকে ২০.০৩.২০২০ এ সিজিএসটি আইন, ২০১৭ এর ধারা ৬৯এর আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মীরাটের অর্থনৈতিক অপরাধ আদালতে হাজির করা হয়েছে। মীরাটের বিশেষ সিজেএমের নির্দেশে তাদেরকে ২১.০৩.২০২০ তারিখে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ নিয়ে আরও তদন্ত চলছে৷

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.