Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
লকডাউন এর জেরে রাজ্যজুলে কালোবাজারি, কড়া হাতে মোকাবিলা করতে বাজারে বাজারে অভিযানে জেলা ও মহকুমা প্রশাসন, কঠোর হলেন মুখ্যমন্ত্রী
By Our Correspondent, 23/03/2020, Agartala
 

লকডাউন এর সুযোগে একাংশ ব্যবসায়ী কালোবাজারি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যজুড়ে। সোমবার আগরতলা, সহ রাজ্যের ৮ জেলার সবগুলোই পাইকারি এবং খুচরা  বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য ঘন্টায় ঘন্টায় লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন যারা কালোবাজারি সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোকান সিল করে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রতিটি বাজারে প্রশাসনের আধিকারিকরা নজরদারি শুরু করবে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে জেলা শাসকের নির্দেশে সন্ধ্যায় প্রতিটি বাজারে প্রশাসনিক আধিকারিকরা অভিযান শুরু করেছে। জেলায় জেলায় , মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সহ অন্যান্য অফিসাররা বাজারে অভিযান চালিয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়েছেন। কোন ধরনের অনিয়ম নজরে এলে করা ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে নোবেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষকে লোকসমাগম এড়ানোর বার্তা দিলেও সর্বত্র সাধারণ মানুষের উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর ফলে চরম খেসারত দিতে হতে পারে।
 সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের সবগুলি বাজারে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান। নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার জন্য প্রতিটি দোকানে ভিড় গিজগিজ করেছে। প্রায় প্রত্যেক জেলায় বিভিন্ন স্থান থেকে যুবকরা বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরেছেন।  অন্যান্য রাজ্য থেকে অনেক ছাত্র-ছাত্রী বাড়িতে ফিরেছেন। তারা অবাধে ঘোরাফেরা করছে। এয়ারপোর্টে  তাপমাত্রা পরীক্ষা করে তাদেরকে বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইন এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু কোন নির্দেশ মানছে না তারা। এলাকায় অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে করোনাতঙ্ক ব্যাপক আকার নিয়েছে। সচেতন মহল দাবি তুলেছেন বিদেশ কিংবা বহি রাজ্য থেকে যারা আসছেন তাদের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন এর ব্যবস্থা না করে প্রশাসনের উদ্যোগে নির্দিষ্ট স্থানে কোয়ারেন্টাইন এর ব্যবস্থা করার জন্য ।
 অভিযোগ বিভিন্ন  জেলার ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা সিল করে দেওয়া হলেও বাঁকা পথে অনেক বাংলাদেশী এপারে চলে আসছে। সোমবারেও চড়িলাম  গরু বাজারে বেশ কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী বাংলাদেশ থেকে চলে এসেছেন। যদিও স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে তারা কেটে পড়েন। এছাড়া গ্রামীণ বাজারগুলিতে চোলাই মদের ঠেক গুলি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি উঠেছে। এই মদের ঠেক গুলিতে একই গ্লাসে একাধিক ব্যক্তি মদ্যপান করছে। সময় থাকতে সর্তকতা অবলম্বন না করলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল আকার নিতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কেও বাংলাদেশ থেকে এলাকায় এলে তাকে চিন্নিত করার দায়িত্ব গ্রাম প্রধানদের।  তারা তথ্য না দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।  পরিস্থিতি কড়া হাতে মোকাবিলা করা হবে বলে জানিয়েছেন।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.