Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
কিডনিতে পাথরের ১০টি লক্ষণ
By Our Correspondent, 09/04/2017, Agartala

মানব দেহে রোগ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে।  এমন ও পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন র কিছুই করার থাকে না।  আবার সেই রোগ যদি কিডনি, লিভার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ  মানব অঙ্গের হয় তাহলে তো তার গুরুত্বপূর্ণতা আরো বেড়ে যায়। এমনি একটি রোগ হলো কিডনি তে পাথর। নিম্নে কিডনি তে পাথরের ১০টি লক্ষণ দেওয়া হলো।  আপনার শরীরের উপসর্গের সঙ্গে যদি একটিও মিলে যায় তাহলে দেরি না করে তত্ক্ষনাত চিকিত্সকেরা পরামর্শ নিন।

১. ঘনঘন প্রস্রাব বা প্রস্রাব পরিষ্কার না হওয়া :- যদি আপনার শরীরে এমন কোনো পরিবর্তন দেখা দেয় তাহলে সতর্ক হয়ে যান।  ঘনঘন প্রস্রাব , প্রস্রাব আটকে যাওয়া কিংবা পরিষ্কার  না হওয়া কিডনিতে পাথরের প্রাথমিক লক্ষণ।

২. ঘনঘন নিঃশাস :- কিডনি তে সমস্যা হলে নিস্বাসের সমস্যা সৃষ্টি হবে।  অল্পতেই আপনি হাপিয়ে পড়বেন।

৩. প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত :- যদি এমন কোনো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে তত্ক্ষনাত চিকিত্সকের পরামর্শ  নিন।  কিডনিতে সমস্যার এটাই হচ্ছে প্রধান এবং অন্যতম লক্ষণ।

৪. প্রস্রাবে ফেনা :- এই সমস্যাটি মোটেও স্বাভাবিক নয়।  শরীর থেকে প্রোটিন নির্গত হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে মিশে যায়।  ফলে প্রস্রাবের সঙ্গে ফেনা জাতীয় পদার্থ বের হয়। 

৫. পা ফুলে যাওয়া :- কিডনির কার্যাবলীর মধ্যে একটি হচ্ছে টক্সিন, বর্জ্য পদার্থ ছাড়াও শরীর থেকে অতিরিক্ত ফ্লুইড বের করে দেওয়া।  যখন সে এই কার্যাবলী সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারে না তখনি পা বা মুখ ফুলে যায়।

৬. সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্তিবোধ :- কিডনি থেকে নির্গত হয় এরিথ্রোপোয়েটিন হরমোন।  এই হরমোন লোহিত রক্তকণিকাকে অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।  কিডনি সেই কাজটা সম্পাদন না করতে পারলে শরীরে এরিথ্রোপোয়েটিন-এর পরিমান কমে আসে।  ফলে দেখা দেয় রক্তস্বল্পতা।  শরীর দুর্বল হওয়ার কারণে ক্লান্তিভাব দেখা দেয়। 

৭.মাথা ঘোরা :- মনোসংযোগ না করতে পারা রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়ার কারণ হতে পারে। কিন্তু কিডনি তে সমস্যার ক্ষেত্রে এর  আরো প্রকট।  মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাবের কারণে হঠাত করে মাথা ঘুরে যায়।  মনোসংযোগে দেখা দে ব্যাঘাত।

৮. গরমে ঠান্ডার অনুভূতি :- চারপাশের আবহাওয়া গরম থাকলেও যদি আপনি ঠান্ডার অনুভূতি লক্ষ্য করেন।  বা তা যদি বেশিদিন চলতে থাকে তাহলে তত্ক্ষনাত চিকিতসকের পরামর্শ নিন।  কিডনি তে সমস্যার এটি একটি কারণ।

৯. ফুসকুড়ি বা চুলকানি :- কিডনি সমস্যা হলে গায়ে ফুসকুড়ি বা চুলকানির সমস্যা দেখা যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে অনেক সময় তা এলার্জি বলে আমরা এড়িয়ে চলি।  কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে কিডনির সমস্যা হলেও এইসব লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

১০. বমিবমি ভাব :- নানা কারণে গা গুলিয়ে ওঠা কিডনি সমস্যার একটি চূড়ান্ত লক্ষণ।  শরীরে অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থ মিশে গেলে শরীর আর তা ধরে রাখতে পারে না।  ফলে খাবার দেখলেই গা গুলিয়ে ওঠে।  মাঝেমধ্যে বমিবমি ভাব বা বমিও হয়। 

তাই এই ১০টি লক্ষণ যদি মিলে যায় তাহলে দেরি না করে তা প্রতিকারের ব্যবস্থা করুন।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.