Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
গুয়াহাটির ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক পর্যটন হাটে প্রদর্শিত হলো উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পর্যটনের বিভিন্ন বিষয়
Burue Report, 06/12/2017, Guwahati

গুয়াহাটিতে আন্তর্জাতিক পর্যটন হাটের দ্বিতীয় দিনের সূচনা হলো পর্যটন মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব শ্রী সুমন বিলা’র ‘উত্তর-পূর্ব অন্বেষণ’ শীর্ষক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে| এতে  ত্তর-পূর্বাঞ্চলের নানা পর্যটন পণ্য এবং পর্যটন মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের পর্যটনের পরিকাঠামো উন্নয়নে, প্রচার ও বাজারের জন্য ও পর্যটনের ক্ষেত্রে মানব সম্পদের উন্নয়নের জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপিত করা হয়েছে| এই উপস্থাপনার ঠিক পরেই ছিলো “ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্বেষণ এবং বিমস্টেক, আসিয়ান দেশগুলো ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে আন্তঃ-আঞ্চলিক পর্যটনের উন্নয়ন” শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনা| এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পর্যটনের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের গৃহীত নানা পদক্ষেপ| যেখানে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পর্যটনের উন্নয়নে ও প্রচারে কেন্দ্রীয় সরকারের নানা মত্রক এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সমস্ত সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য এদের মধ্যে এক সমন্বয়ের কথা উঠে এসেছে| উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মধ্যে  েশিরভাগের সঙ্গেই যেহেতু আসিয়ান ও বিমস্টেক দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, তাই এই আলোচনায় ভারতের ‘অ্যাক্ট-ইস্ট নীতি’তে ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব দেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের পর্যটন প্রবাহের ভূ- রাজনৈতিক চালিকাশক্তিগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে| আলোচনার প্রধান বক্তারা ছিলেন পর্যটন
মন্ত্রকের সচিব শ্রীমতি রশ্মি ভার্মা, ডোনার মন্ত্রকের সচিব শ্রী নবীন ভার্মা, এন.ই.সি.’র সচিব শ্রী রাম মুইভা, অসমের পর্যটন দফতরের কমিশনার ও সচিব শ্রী আর.সি. জৈন, আই.এ.টি.ও.’র সহ-সভাপতি শ্রী রাজীব কোহলি এবং অসমের ট্যুর অপারেটরদের পক্ষে শ্রী অরিজিত পুরকায়স্থ|

দিনের দ্বিতীয় প্যানেল-আলোচনার বিষয় ছিল “ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অগ্রগতির নানা সুযোগ”| এই আলোচনায় উত্তর-পূর্বের আটটি রাজ্যের পর্যটন দফতরের  িবগণ প্রত্যেক রাজ্যের পর্যটনের আকর্ষণীয় বিষয়গুলি উপস্থাপিত করেন| সব বক্তাই একটি সাধারণ বিষয় নিয়ে একমত হয়েছেন যে, এই অঞ্চলের সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে এর আকর্ষণীয় জৈববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী, সংস্কৃতি, তুষারাবৃত হিমালয়, ক্রান্তীয় বনাঞ্চল, বিভিন্ন ধর্মের তীর্থস্থান, প্রাচীন গ্রাম, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ  রত্নতাতাত্ত্বিক কেন্দ্র এবং আকর্ষণীয় রন্ধন ঐতিহ্যসমৃদ্ধ নৃতাত্ত্বিক উপজাতি| “অভিজ্ঞতাপূর্ণ পর্যটন”-এর জন্যও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিশেষ সুযোগ রয়েছে| এই পর্বে আন্তঃ-রাজ্য পর্যটনের প্রসারে রাজ্যগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং দেশের অন্য অংশের পর্যটনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চলের পর্যটনের সংশ্লিষ্টদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য এক সমন্বয়ের গুরুত্বকে তুলে ধরা হয়, যাতে আন্তর্জাতিক পর্যটন পরিচালক ও দেশীয় পর্যটকদের কাছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পর্যটন পণ্যের মধ্যে যেগুলো কম পরিচিত, নতুন অভিজ্ঞতাপূর্ণ এবং এখানে যে এডভেঞ্চার পর্যটনের সুযোগ রয়েছে, সেগুলোর প্রচারের গুরুত্বকে উপস্থাপিত করা যায়| এতে অন্যান্য বক্তাগণের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন সচিব (পর্যটন) ও ভারতের জৈব পর্যটন সোসাইটি’র সদস্য শ্রী এম.পি. বেজবড়ুয়া, এ.টি.ও.এ.আই.’র সভাপতি শ্রী স্বদেশ কুমার, এ.ডি.টি.ও.আই.’র সভাপতি শ্রী পি.পি।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.