Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
পৃথিবীর আকাশে চোখ রাখলো ভিনগ্রহী মহাকাশযান। হদিশ পেলেন হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা
By spl Writer, 15/12/2017, New york

গত অক্টোবর মাসে সৌরমণ্ডলে এক বিচিত্র আকৃতির উড়ন্ত বস্তু দেখতে পান মহাকাশে প্রাণের সন্ধানে নিযুক্ত সার্চ ফর একস্ট্রা টেরেস্ট্রিয়াল ইনটেলিজেন্স (SETI) প্রকল্পের আঁওতায় থাকা হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। জানা গিয়েছে, লম্বাটে সিগার আকৃতির বস্তুটি পৃথিবী থেকে দুই মহাজাগতিক একক অর্থাত্‍ পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের দুই গুণ দূরত্বে ঘণ্টায় প্রায় ৩১৫৪৩১.৪২৪ কিমি বেগে উড়ে গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, জিনিসটি ভিনগ্রহ থেকে আসা কোনও মহাকাশযান।

টেলিস্কোপে ধরা পড়া রহস্যময় বস্তুটিকে প্রথমে উল্কাপিণ্ড বলে মনে করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু খুঁটিয়ে দেখার পরে এমন কিছু বৈশিষ্ট লক্ষ্য করা গিয়েছে, যার ভিত্তিতে সেটি কৃত্রিম বলে মনে হওয়ার কারণ রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, মহাকাশে যে সমস্ত উল্কাপিণ্ড ঘুরে বেড়ায়, সাধারণত তারা গোলাকৃতি হয়। অজানা বস্তুটির ব্যতিক্রমী লম্বাটে গড়ন আসলে নক্ষত্রমণ্ডলে উপস্থিত গ্যাস ও ধুলোর ঘর্ষণ এড়ানোর জন্য সুচিন্তিত সিদ্ধান্তের ফল। দ্বিতীয়ত, সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ এড়াতেই তার গতিবেগ বেশি রাখা হয়েছে।

২০১৫ সালে দশ কোটি ডলার খরচ করে SETI প্রকল্পের আঁওতায় Breakthrough Listen প্রকল্প চালু করেন রুশ প্রযুক্তি টাইকুন ইউরি মিলনার। প্রকল্পের সাম্প্রতিক প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'দূর পাল্লার মহাকাশ পরিবহণ প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী গবেষকরা জানিয়েছেন, মহাকাশযান হওয়ার ফলেই উড়ন্ত বস্তুটির সিগার বা সূচের মতো আকৃতি। মহাজাগতিক ঘর্ষণ এড়াতেই তার পরিকল্পনা করা হয়েছে।'

রহস্যময় এই সম্ভাব্য মহাকাশযানের নাম রাখা হয়েছে ওউমুয়ামুয়া (Oumuamua), হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের প্রচলিত ভাষায় যার অর্থ দূত অথবা বার্তাবাহক। গবেষকদের দাবি, যানটি দৈর্ঘ্যে কয়েকশো মিটার লম্বা, কিন্তু চওড়ায় মাত্র তার ১/১০ ভাগ। আজ, ১২ ডিসেম্বর ব্রিটিশ সময় রাত ৮টা থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রিন ব্যাঙ্ক স্টিয়ারেবল রেডিয়ো টেলিস্কোপের সাহায্যে আগন্তুক মহাকাশযানের থেকে ভিনগ্রহী সঙ্কেত খোঁজার চেষ্টা শুরু করবেন Breakthrough Listen প্রকল্পের গবেষকরা।

 খোঁজ মিলল আমাদের সৌরজগতের মতো আর এক নক্ষত্র-জগতের। সেখানেও একটি নক্ষত্রকে ঘিরে ঘুরে চলেছে আটটি গ্রহ। নাসার কেপলার মহাকাশ টেলিস্কোপ ও মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এই মিনি সৌরজগতের সন্ধান পেয়েছে।

নাসার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে নয়া জগতের কথা। তবে, তার কোনও গ্রহেই প্রাণ থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে। ২,৫৪৫ আলোকবর্ষ দূরে কেপলার ৯০ নামে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্রে রেখে ঘুরে চলেছে আটটি গ্রহ। অস্টিনে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু ভ্যান্ডারবার্গের কথায়, 'কেপলার-৯০ নক্ষত্রজগত আমাদের সৌরজগতেরই মিনি ভার্সানের মতো।'

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.