Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
দুই বছরের মধ্যে উচ্চশিক্ষায় ছাত্রভর্তির গড় অতিক্রম করতে লক্ষ্যমাত্রা, স্কুল ও কলেজের পরিকাঠামোর উন্নয়নে বেসরকারি দান চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী
By Our Correspondent, 09/08/2018, Agartala

রাজ্যের সমস্ত স্কুল ও কলেজগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বেসরকারি উদ্যোগপতি কিংবা ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। ইতোমধ্যে মন্ত্রীর আহ্বানে কয়েকজন ব্যবসায়ী এগিয়েও এসেছেন। উচ্চশিক্ষায় গ্রস এনরোলমেন্ট রেজিস্টার তথা জিএআর-এ পিছিয়ে থাকা ত্রিপুরাকে আগামী দুই বছরের মধ্যে জাতীয় গড়ের সমতুল্য করে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ত্রিপুরার স্কুল ও কলেজগুলিতে অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ নজরদারির এভাবে প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।  এই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা দপ্তরকে বের করে নিয়ে আসতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে চার মাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে। অতি সাধারণ বিষয়েও তাঁকে মতামত দিতে হচ্ছে। একটি স্কুল কিংবা কলেজে ২-৩ বার পর্যন্ত ভিজিট করতে হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির অবশ্য উন্নতি হচ্ছে। যদিও সামগ্রিকভাবে প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছুতে আরো কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করছেন মন্ত্রী রতনলাল নাথ।
শিক্ষা পরিকাঠামোর সার্বিক উন্নতির জন্য প্রয়োজন অর্থের। রাজ্য সরকার বাজেটে অর্থ বরাদ্ধ রাখলেও স্কুল কিংবা কলেজগুলিতে মন্ত্রীর পরিদর্শনে প্রতিদিনই উঠে আসছে ছোটোখাটো সমস্যার কথা।  যেগুলি সামান্য অর্থের জন্য বছরের পর বছর ধরে পড়ে আছে। এই সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কিংবা উদ্যোগপতিদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান রেখেছেন শিক্ষামন্ত্রী।  তিনি বলেন, অনেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্টান কিংবা বিভিন্ন স্থানে মুক্তমনে দান করে থাকেন। স্কুল কিংবা কলেজের উন্নয়ন কিংবা ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন। এরজন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল কিংবা কলেজের প্রধান শিক্ষক অথবা প্রিসিপালের সাথে যোগাযোগ করে চেকের মাধ্যমে দান তুলে দিতে পারেন।  শিক্ষামন্ত্রী এই আহ্বান মেনে ইতোমধ্য রানীরবাজারের ব্যবসায়ী অঞ্জন সাহা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষার কাছে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার একটি চেক তুলে দিয়েছেন। এই টাকা দিয়ে কলেজের হোস্টেলের মেয়েদের স্যানিটারি ন্যাপকিনের জন্য একটি ব্যান্ডিং মেশিন, হোস্টেলের এক বছরের গ্যাসের বিল ও পাচকের বেতন মিটিয়ে দেয়া হবে। একই ভাবে উমাকান্ত স্কুলের জন্য বনমালিপুরের অশেষ দেব ২৫ হাজার টাকা অর্থ সাহায্য তুলে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে বিশেষ করে এনআরআইদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
মহাকরণে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,  জাতীয় স্তরে ১৮-২৩ বছরের যুবকদের ২৫ শতাংশ উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি হয়। কিন্তু ত্রিপুরায় এই হার ১৯ শতাংশ। এরমধ্যে তফশিলি উপজাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীর হার ১৩.৭ শতাংশ, তফশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৭.৯ শতাংশ ও সামগ্রিকভাবে মেয়েদের সংখ্যা ১৬.৮ শতাংশ। তিনি বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে জাতীয় গড় অতিক্রমণ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী এমবিবি কলেজের পঠন পাঠনের উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্য বেশকিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি চালু করা হয়েছে এমবিবি কলেজের ওয়েবসাইট www.mbbcollege.in
এই ওয়েবসাইটে লেখা থাকবে আগামীদিনে কোন অধ্যাপক কি ক্লাস নেবেন। এমবিবি কলেজের অনুকরণে রাজ্যের অন্যান্য কলেজেও এই ব্যবস্থা চালু করার আহ্বান রেখেছেন শিক্ষামন্ত্রী।

 

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.