Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
রাজ্যের সর্বত্র সাড়ম্বরে চলছে শ্যামা মায়ের পূজা, মাতাবাড়িতে লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু এক পুণ্যার্থীর, উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী গেলেন ধলাই
By Our Correspondent, 07/11/2018, Agartala
 

শাস্ত্রীয় নিয়ম, রীতিনীতি মেনে মঙ্গলবার থেকে শ্যামা মায়ের পূজা চলছে রাজ্যের সর্বত্র। সকল ধর্মীয় স্থানে, বিভিন্ন পুজো প্যান্ডালে, মন্দিরে সর্বত্র ছিল সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। যদিও মাতারবাড়িতে একজন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে এদিন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের মন্দিরে সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় মায়ের আরতি। এর পর রাত ১০.১৫ মিনিটে নিশিপূজা আরম্ভ হয়। তা শেষ হয় বুধবার ভোরে। মন্দিরে সারা রাত ধরে সাধারণ মানুষের ভিড় করেছিলেন। অমাবস্যা চলতে থাকায় বুধবারও চলছে বিশেষ পূজা। ৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা মায়ের পুজোয় এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে।

এদিকে আগরতলা মটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন শনিতলা কালীপূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত শ্রীশ্রী শ্যামা পুজোয় মঙ্গলপ্রদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লবকুমার দেব। সঙ্গে ছিলেন পত্নী নীতি দেব।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বলেন, ত্রিপুরা হল ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের তীর্থভূমি। এই পুণ্যভূমিতে একদিকে চলছে দেওয়ালি উৎসব পাশাপাশি সারা রাজ্যে চলেছে কালী পুজোও। তিনি আরও বলেন, মায়ের কাছে এই প্রার্থনা করছি, আগামী দিনগুলি আলোকময় ও আনন্দময় হয়ে উঠুক। তিনি বলেন, এই উৎসবের মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি মানুষের জীবনে সর্বদা সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই উৎসব আমাদের প্রাণবন্ত সংস্কৃতির প্রতীক। এই উৎসব মানুষের মনের মধ্যে এক নতুন আশার আলো, স্বপ্নে ভরা এক নতুন বছরের বার্তা নিয়ে আসে।.
 উদয়পুরে মাতাবাড়িতে দীপাবলি উৎসবের দ্বিতীয় দিনও উপচে পড়া ভিড়। দর্শনার্থীর ভিড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে এক পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, বুধবার দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকেই মাতাবাড়িতে উপচেপড়া ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গা ভিড় বাড়ে দর্শনার্থীদের। বিকাল থেকে তিল ধরার জায়গা নেই। ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তা রক্ষীরা। এরই মধ্যে আজ বুধবার সকালে মাতাবাড়িতে লাইনে দাঁড়ানো এক দর্শনার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত দর্শনার্থীর নাম বাসনা নাগ (৪৫)। তাঁর বাড়ি আগরতলার আড়ালিয়ায়।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বুধবার সকালে মাতাবাড়িতে অন্যান্যদের সঙ্গে লাইনে দাড়িয়েছিলেন বাসনা দেবী। লাইনে প্রচুর ভিড় ছিল। হঠাৎ করে বাসনা দেবীর শরীর খারাপ করতে লাগলে স্বেচ্ছাসেবকরা তাঁকে নিয়ে যান বিশ্রামাগারে। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.