Facebook Google Plus Twiter YouTube
   
রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মধ্যপ্রদেশে, জোর টক্কর হতে চলেছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে
Burue Report, 27/11/2018, Bhupal

রাত পোহালেই বিধানসভা ভোট মধ্যপ্রদেশে। মূলত বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই হতে চলেছে এই রাজ্যে। বুধবার সকাল ৮ টা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। শেষ হবে বিকেল ৫ টায়। রাজ্যের ৬৫,৩৪১টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে প্রায় ২০০০টি বুথ মহিলা ভোটকর্মীদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। দৃষ্টিহীন ভোটারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। তার আগে এদিনও একাধিক ইস্যুতে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাল বিজেপি। বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে কংগ্রেস। মঙ্গলবার এমনই ভাষায় রাজস্থানে কংগ্রেসের নিন্দায় সরব হলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অন্যদিকে তেলেঙ্গানায় কংগ্রেসের নিন্দায় মুখর হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস ও টিআরএস-এর নেতাদের মুখে কৃষকদের নিয়ে কথা মানায় না। কারণ কংগ্রেসের ৭০ বছরের এবং টিআরএস-এর পাঁচ বছরে শাসনের জন্য বর্তমান সময়ে কৃষকরা আজ দুর্দশার মধ্যে রয়েছে। কংগ্রেসের নামদার (রাহুল গান্ধী) এখন কৃষকদের জন্য কুম্ভীরাশ্রু ফেলছেন। অন্যদিকে ফেসবুকে পোস্ট কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী লেখেন, আশার এক নতুন সকাল হতে চলেছে। যা উন্নয়নের নতুন উড়ানে দেশকে নিয়ে যাবে।

নির্বাচন কমিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিন লক্ষ সরকারি কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০০০ আবার মহিলা ভোটকর্মী। ভোটগ্রহণ তদারক করতে ১২০০০ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী পর্যবেক্ষকের কাজ করবে। ৫,০৩,৯৪,০৮৬ ভোটার রয়েছে গোটা রাজ্যে। তার মধ্যে ২৪০৭৬৬৯০ হচ্ছে মহিলা ভোটার। ১৩৮৯ হচ্ছে তৃতীয় লিঙ্গ। ২৯০৭ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে বুধবার। রাজ্যের মাওবাদী অধ্যুষিত বালাঘাট জেলায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল ৭টায় শেষ হবে দুপুর ৩টের সময়। গোটা রাজ্য কড়া নিরাপত্তার বেড়াজালে মুড়ে ফেলা হয়েছে। রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের নেতৃত্বে এই নির্বাচন লড়তে চলেছে বিজেপি।

মধ্যপ্রদেশে ভোটগ্রহণের আগেরদিন রাজস্থানে আলোয়ারে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, দেশকে ভাঙার কাজ কংগ্রেস করে চলেছে। ধর্ম ও জাতপাতের নামে মানুষের মধ্যে বিষ ঢুকিয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে বিজেপি সুপ্রশাসন প্রদানের জন্য কাজ করে চলেছে। দশকের পর দশকের ধরে কংগ্রেস দেশকে শাসন করেছে। কিন্তু সিংহভাগ মানুষকে গ্যাস সংযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এমনকি রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রত্যেক গরিবদের গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। জঙ্গিদের আমরা কংগ্রেসের মতো বিরিয়ানি খাওয়াই না। তাদের প্রাপ্য গুলি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তেলেঙ্গানার জনসভা থেকে কংগ্রেসকে তোপ দেগে বলেন, কংগ্রেস ও টিআরএস-এর নেতাদের মুখে কৃষকদের নিয়ে কথা মানায় না। কারণ কংগ্রেসের ৭০ বছরের এবং টিআরএস-এর পাঁচ বছরে শাসনের জন্য বর্তমান সময়ে কৃষকরা আজ দুর্দশার মধ্যে রয়েছে। কংগ্রেসের নামদার (রাহুল গান্ধী) এখন কৃষকদের জন্য কুম্ভীরাশ্রু ফেলছেন। যদি কৃষকের ছেলে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতেন তবে কৃষকদের অবস্থা আজ খারাপ হত না।
টিআরএস-এর নিন্দায় সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের দাবি তুলছে টিআরএস। যাতে আদতে তোষণের রাজনীতি। কংগ্রেস যে ভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিভাজন করেছেন তার ফলে আজও কোনও উন্নয়ন হয়নি তেলেঙ্গানা।
অন্যদিকে পাল্টা ফেসবুক পোস্টে রাহুল গান্ধী এদিন লেখেন, এক নতুন সকালের অপেক্ষায়। যা উন্নয়নের নতুন উড়ানে দেশকে নিয়ে যাবে। কংগ্রেসের কৃষি ঋণ মকুবের সিদ্ধান্ত, মহিলাদের নিরাপত্তা, শিল্প ও বাণিজ্যে প্রগতি, যুবকযুবতীদের জন্য স্থায়ী চাকরি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাতে মধ্যপ্রদেশে উন্নয়নের নতুন সরণী তৈরি হবে। রাজ্যবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন রাহুল গান্ধী।

 
Accessibility | Copyright | Disclaimer | Hyperlinking | Privacy | Terms and Conditions | Feedback | E-paper | Citizen Service
 
© aajkeronlinekagaj, Agartala 799 001, Tripura, INDIA.